সোশ্যাল ক্রসফায়ার বাংলাদেশের সড়ক দুর্ঘটনার প্রচলিত ব্যাখ্যা এবং দায়বদ্ধতার ধারণাকে নতুনভাবে প্রশ্ন করা একটি গভীর সমাজতাত্ত্বিক ও কাঠামোগত অনুসন্ধানমূলক বিশ্লেষণ। এই বইয়ে দেখানো হয়েছে কীভাবে চালক ও শ্রমিকদের এককভাবে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, অথচ দুর্ঘটনার মূল কারণ নিহিত থাকে দুর্বল পরিকল্পণা, সড়ক অব্যবস্থাপনা, ত্রুটিপূর্ণ আইন ও তার প্রয়োগ, অমানবিক শ্রমঘণ্টা, স্বাস্থ্যঝুঁকি, এবং প্রাতিষ্ঠানিক অব্যবস্থার মধ্যে।
আমাদের সমাজে দুর্ঘটনা ঘটলেই চালক ও শ্রমিকদের এককভাবে দায়ী করার প্রবণতা বিদ্যমান, কিন্তু এই বই দেখায়—দুর্ঘটনার শেকড় অনেক গভীরে, রাষ্ট্রীয় অব্যবস্থাপনা ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতার মধ্যে প্রোথিত। দুর্বল সড়ক ব্যবস্থাপনা, অদক্ষ তদারকি, ত্রুটিপূর্ণ আইন ও প্রয়োগ, অমানবিক শ্রমঘণ্টা, স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা কীভাবে দুর্ঘটনাকে অনিবার্য করে তোলে, তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে এখানে।
বইটিতে রয়েছে বিশেষজ্ঞ মতামত, স্পর্শকাতর চারটি বাস্তব দুর্ঘটনার তদন্ত বিশ্লেষণ, চালক-শ্রমিকদের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতার নির্মম চিত্র এবং সড়ক আইন ব্যবস্থার সমালোচনামূলক পাঠ। সোশ্যাল ক্রসফায়ার শুধু দুর্ঘটনার বিবরণ নয়—এটি সড়ক নিরাপত্তা, শ্রমিক অধিকার ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে সমাজের বিবেককে নাড়া দেওয়ার এক শক্তিশালী দলিল।
এই বইতে রয়েছে—
✔ সড়ক ও সড়ক ব্যবস্থাপনার বাস্তব চিত্র
✔ বিশেষজ্ঞদের মতামত
✔ স্পর্ষকাতর ও বহুল আলোচিত ৪ টি সড়ক দুর্ঘটনার বুয়েট Accident Research Institute এর বিশেষজ্ঞ তদন্ত বিশ্লেষণ
✔ সড়ক শ্রমিকদের আর্থ-সামাজিক বাস্তবতা
✔ এবং সড়ক আইনের গভীর বিশ্লেষণ
এই বই দেখাবে—
কিভাবে পুরো সিস্টেমের ভুলের দায়
একজন চালকের ঘাড়ে চাপিয়ে শাস্তি দেয়া হয়।
কাজেই,
সচেতন মানুষ, শ্রমিক নেতা, মালিক, চালক, হেলপারবহ সকলের জন্য এই বইটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ ন্যায়বিচারের জন্য সত্য জানা দরকার।
আপনার কপি আজই সংগ্রহ করুন।